বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বিনগ্রামে গুণী শিক্ষক, কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল কৃষক সম্মাননা অনুষ্ঠিত সোনামুখী বাজারে পুলিশের অভিযান, উদ্ধার ৫ গ্রাম হেরোইন ও ৭৩ পিস ইয়াবা ময়মনসিংহে চরসিরতা ও পরানগঞ্জে ১১ উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন এমপি আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ দীঘিনালা রশিকনগর শ্রী শ্রী হরি মন্দিরে ভক্তিপূর্ণ পরিবেশে সপ্তমী পূজা উদযাপন দীঘিনালা বোয়ালখালী শ্রী শ্রী নারায়ন মন্দিরে ঢাকের বোলে জাগলো মা, সপ্তমীর ভোরে ভক্তের ঢল* _শ্রী শ্রী নারায়ন মন্দিরে উৎসবমুখর সপ্তমী পূজা_ দীঘিনালায় দুর্গাপূজার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি, ৯টি মণ্ডপ ব্যস্ততার তুঙ্গে নন্দীগ্রামের ফজলুল উলুম আদর্শ মহিলা মাদ্রাসা দোয়া ও পুরস্কার বিতরণ পুরোনো বোরকা দিয়ে ‘ক্রিশ’ সাজ, সিরাজগঞ্জের তরুণ মামুনের স্বপ্ন এখন বড় পর্দায় কাজিপুরের চরাঞ্চলের দুই ইউনিয়ন পরিদর্শনে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক তাড়াশে ধাপ ওয়াশীন উচ্চ বিদ্যালয়ের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

দীঘিনালায় তামাক চাষের বিস্তার—হুমকিতে নিরাপদ কৃষি ও স্থানীয় পরিবেশ

Reporter Name / ২৬৭ Time View
Update : শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

অনিক দাশ :

দীঘিনালায় গত কয়েক বছরে তামাক চাষ বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় খাদ্যশস্য উৎপাদন হুমকির মুখে পড়ছে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের কৃষকেরা জানান, তামাক কোম্পানির আগাম টাকা, বীজ ও সার দেওয়ার প্রলোভনে অনেকেই প্রচলিত ধান, সবজি ও বিভিন্ন জাতের ফলের চাষ কমিয়ে তামাক চাষের দিকে ঝুঁকছেন।

স্থানীয় কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এ মৌসুমে দীঘিনালায় প্রায় ২৫–৩০ শতাংশ জমিতে তামাক চাষ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ফলে আলু, মরিচ, ও শাকসবজির উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

দীঘিনালার এক কৃষক মো. আলমগীর বলেন,
“তামাক করলে কোম্পানি টাকা দেয়, সার-বীজ দেয়—ঝামেলা কম। কিন্তু জমির উর্বরতা কমে যায়, খরচও পরে বেশি। তবুও অনেকে বাধ্য হয়ে করছে।”

অপরদিকে কৃষি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে তামাক চাষের ফলে মাটির জৈব উপাদান নষ্ট হয়, প্রচুর পানি লাগে, এবং কীটনাশকের ব্যবহার বাড়ে—যা পাহাড়ি এলাকায় পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

দীঘিনালা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার মতে,
“তামাক চাষে স্বল্পমেয়াদে লাভ হলেও দীর্ঘমেয়াদে কৃষি ও পরিবেশ উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমরা কৃষকদের বিকল্প উচ্চমূল্যের ফসল চাষে উৎসাহিত করছি।”

স্থানীয় কৃষক সংগঠনগুলো দাবি করেছে, সরকার যদি পাহাড়ি এলাকায় সবজি, ফল, মসলা ও খাদ্যশস্যের জন্য সহায়তা বাড়ায়, তাহলে কৃষকেরা তামাকের ওপর নির্ভরতা কমাতে পারবেন।

এদিকে বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, তামাক কোম্পানির প্রভাব এবং কৃষকদের আর্থিক অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক বছরে দীঘিনালার কৃষি উৎপাদনে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর