বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বিনগ্রামে গুণী শিক্ষক, কৃতি শিক্ষার্থী ও সফল কৃষক সম্মাননা অনুষ্ঠিত সোনামুখী বাজারে পুলিশের অভিযান, উদ্ধার ৫ গ্রাম হেরোইন ও ৭৩ পিস ইয়াবা ময়মনসিংহে চরসিরতা ও পরানগঞ্জে ১১ উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন এমপি আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ দীঘিনালা রশিকনগর শ্রী শ্রী হরি মন্দিরে ভক্তিপূর্ণ পরিবেশে সপ্তমী পূজা উদযাপন দীঘিনালা বোয়ালখালী শ্রী শ্রী নারায়ন মন্দিরে ঢাকের বোলে জাগলো মা, সপ্তমীর ভোরে ভক্তের ঢল* _শ্রী শ্রী নারায়ন মন্দিরে উৎসবমুখর সপ্তমী পূজা_ দীঘিনালায় দুর্গাপূজার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি, ৯টি মণ্ডপ ব্যস্ততার তুঙ্গে নন্দীগ্রামের ফজলুল উলুম আদর্শ মহিলা মাদ্রাসা দোয়া ও পুরস্কার বিতরণ পুরোনো বোরকা দিয়ে ‘ক্রিশ’ সাজ, সিরাজগঞ্জের তরুণ মামুনের স্বপ্ন এখন বড় পর্দায় কাজিপুরের চরাঞ্চলের দুই ইউনিয়ন পরিদর্শনে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক তাড়াশে ধাপ ওয়াশীন উচ্চ বিদ্যালয়ের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

কে দিবে বৃদ্ধা রহিমা খাতুনের ঈদের বাজার ও নতুন কাপড়

Reporter Name / ১৬৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

মোঃ আখতার হোসেন হিরন :

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন যত ঘনিয়ে আসছে। আশিঊর্ধ্ব বয়সী রহিমার চিন্তা ততই বাড়ছে। সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানা সদরের এমন একটি অসহায় পরিবারের সন্ধ্যান পাওয়া গেছে। বয়সের ভারে নুয়ে পড়া বৃদ্ধা রহিমা খাতুন এ প্রতিনিধিকে জানান তার এমন আর্তনাদ। তিনি বলেন আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ঈদ ঘনিয়ে আসছে। আমি এখনো ঈদের বাজার ও পরনের কাপড় কিনতে পারি নাই। যদি কেউ কিনে দেয় তাহলে তো ঈদের দিন ভালো কিছু খেতে পারবো আর নতুন কাপড় পড়তে পারবো। আমার কোন সাধ্য নাই আমি বাপু অসহায় মানুষ। দু’বেলা দু’মুঠো ভাত ঠিকমতো পাইনা। আবার ঈদের মার্কেট পাব কোথায়? কে দিবে আমাকে এগুলো? আমি বৃদ্ধা মানুষ আমার বাড়ি ওলাও অনেক বৃদ্ধ মানুষ। বয়সের কারণে কিছুই করতে পারে না। তার কোন কর্মও নেই। নেই কোনো আয়রোজগার। তাই পথ চেয়ে বসে আছি যদি কোন স্বহৃদয়বান ব্যক্তি,কোন মানবিক মানুষ আমাকে ঈদের বাজার ও নতুন কাপড় কিনে দেয়। তাহলে আমি ঈদের দিনের জন্য চিন্তা মুক্ত হতাম। তিনি আরও জানান আমাদের কোন ভিটে মাটিও নেই। তাই এই হাসপাতালের পুরাতন ভবনে প্রায় ৩০/৪০ বছর ধরে দিন কাটাই। দুটি ছেলে থাকলেও কেউ আর খোঁজ খবর নেয় না। একটি মেয়ে সে আমার ঘাড়েই রয়েছে। আমাকে যে যা দেয় তা খেয়েই বেঁচে থাকি। এক সময় আমার বাড়ি, ঘর, গোলাভরা ধান সবই ছিল। কালের বিবর্তনে এখন আর কিছুই নেই। আমি এখন নিঃস্ব। বৃদ্ধা রহিমা খাতুন তার স্বামী ওয়াহেদ কে নিয়ে নাইমুড়ী গ্রামের বাড়িতে বসবাস করত। অভাবের কারণে অনেক আগেই সকল ভিটেমাটি বিক্রি করে দিয়ে এখন ঠাই নিয়েছে কুঠিপাড়া হাসপাতালের পুরাতন ভবনে। সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের এমন অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সহযোগিতা কামনা করেছেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর