সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ময়মনসিংহ সিটিতে খালের ওপর ১২ তলা ভবন : নকশা ফাইল তলব, তদন্তে প্রশাসন ময়মনসিংহে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে হৃদরোগের চিকিৎসা মুক্তাগাছায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ৫ পুলিশসহ আহত -১৫ সিটি কর্পোরেশনের যানবাহন শাখায় অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ বহিরাগত চালক দিয়ে গাড়ি পরিচালনা, দ্বৈত বরাদ্দ ও লাইসেন্সবিহীন ড্রাইভিং, দায় নেবে কে? হাটিকুমরুল ইউনিয়নের কৃষকদলের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন, মাসুদ রানা সভাপতি আশরাফুল সাধারণ সম্পাদক আতঙ্কের জনপদ ময়মনসিংহ : এক বছরে ১১১ খুন, ছিনতাইয়ে নাজেহাল নগরবাসী নন্দীগ্রামে থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদকে মডেল হিসেবে গড়ে তুলবে; চেয়ারম্যান(প্যানেল-১) শামসুর রহমান কাজিপুরে মোবাইল কোর্টের অভিযান: ২ পিস ইয়াবাসহ এক যুবক আটক, ৩ মাসের কারাদণ্ড শুধু বিএনপি নয় আওয়ামী লীগও আমাকে ভোট দিয়েছে- সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সেলিম রেজা এমপি নন্দীগ্রামে কলেজ ছাত্রদলের সভাপতির বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার, স্বপদে ফিরলেন শাকিল

খেজুরের রসে জীবিকা নির্বাহ করছেন গাছি আব্দুল মান্নান

Reporter Name / ২৫ Time View
Update : সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬

মোঃ আখতার হোসেন হিরন :

শীতকালে খেজুরের রসের চাহিদা বেড়ে যায়,সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা অঞ্চলে মানুষের সেই চাহিদা মেটাচ্ছেন গাছি আব্দুল মান্নান (৭০)। তিনি দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে আশেপাশের গ্রাম গুলোতে শীতের সকালে খেজুর রস লাগবে খেজুর রস! এরকম হাকডাকে রস বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তবে এখন খেজুর গাছ কমে যাওয়ায় তাকে আর গ্রামে গ্রামে ঘুরে রস বিক্রি করতে হয়না। তার খেজুরের রসের টানে বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিদিন মানুষ ভিড় জমান গাছি আব্দুল মান্নানের বাড়িতে।

তার নিজের কয়েকটি গাছ সহ আশেপাশের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে খেজুর গাছ থেকে রস পেরে/ কিনে মৌসুমি ব্যবসা করে যাচ্ছেন। এ বছর ২০/২৫টি খেজুর গাছ পরিচর্যা করে মৌসুমি চুক্তিতে গাছগুলো থেকে প্রতিদিন অন্তত ৫০-৬০ লিটার রস সংগ্রহ করেন। লিটারপ্রতি ৮০-১০০ টাকা বিক্রি করেন।

গাছি আব্দুল মান্নান বলেন, ‌আমার গ্রামসহ আশেপাশের কয়েকটি গ্রাম থেকে ২০-২৫ টি খেজুর গাছ লাগিয়েছি।
ডিসেম্বর মাসের শেষ দিক থেকে রস নামানো শুরু করে এখন রস বিক্রি করে যাচ্ছি।

আমি ভোররাত থেকে রস নামিয়ে থাকি। প্রতি লিটার ৮০-১০০ টাকা দরে মানুষকে দেই। এখানে খেজুরের গাছ কম থাকায় ব্যাপক চাহিদা আছে। তিনি আরও বলেন, ‘রসের ব্যবসা মাত্র তিন মাসের। পুরো বছর এই তিন মাসের অপেক্ষায় থাকি। ডিসেম্বর থেকে গাছের পরিচর্যায় আমি কাজ করছি। খেজুরের রস নিতে এসে না পেয়ে ফিরে যাচ্ছিলেন রাকিবুল। তিনি বলেন, রস পাওয়া যাবে বলে সিরাজগঞ্জ রোড থেকে এসেছিলাম। তবে আমরা অবেলায় আসার কারণে আজ পাইনি। অন্য কোনো দিন সময় অনুযায়ী আবার আসবো। সিরাজগঞ্জে খেজুরের রস বিক্রির এই মৌসুমি ব্যবসা গ্রামীণ অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে প্রান্তিক কৃষকদের জীবিকা নির্বাহ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর