সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি -
দীর্ঘদিন ধরে সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুলের ঢাকা রোডের পাঁচলিয়া এলাকায় মহাসড়কে চুরি ডাকাতির মালামাল ক্রয় বিক্রয় সহ নারীদের দিয়ে দেহব্যবসা, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, ও মাদক বিক্রি করে আসছে সামিদুল, আলামিন ও তার বাহিনী।
অভিযোগ রয়েছে, চক্রটিকে পন্য দিলেই মিলছে মাদক , মাদকের বিনিময়ে অথবা কম টাকায়, অসাধু ড্রাইভার, হেলপারদের কাছ থেকে রড, সিমেন্ট, গম, ভূট্টা, চাউল, তেল সহ বিভিন্ন পন্য ক্রয় করে তা বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করে চক্রটি।
এর চেয়ে গুরুতর ও স্পর্শকাতর অভিযোগ ও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে, চক্রটির নেতৃত্ব জেলা জুরে বিস্তার করছে মাদকের একটি চক্র, এবং এসব চোরাই পয়েন্ট থেকে ছরিয়ে পরছে প্রত্যান্ত গ্রাম অঞ্চলে, আর এই চক্রটি পরিচালনা ও অর্থের জোগান দিয়ে আসছে অপ্রকাশিত একজন গডফাদার।
চোরাই পন্য,, কয়লা, পাথর, বিক্রি করতে আসা এই ড্রাইভার চক্রের দ্বারায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত বিশেষ করে চিটাগং ও ডাকা থেকে মাদক পরিবহন করিয়ে আনা হয় পাচলিয়া এলাকায়।
এবং জেলাজুরে বন্টনের কাজ হয় সেখান থেকেই। মাদক বন্টন ও পাইকারি ক্রেতাদের হাতে পৌছে দেওয়া এর জন্য রয়েছে বিশেষ বাহিনী।
এসব বাহিনীর অধিকাংশই কিশোর ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য।
মাদক সম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে গড়ে তোলাহয় কিশোর গাংয়ের একটি চক্র ও আস্তানা।
গোপন সুত্রে ও এলাকাবাসীর মাধ্যমে জানাজায়, দাদন পুর এলাকার কয়েকটি বাড়িতে অবস্থান করে বেশ কয়েকজন কিশোর।
রাত হলে জমে ওঠে এদের আনাগোনা,তার মধ্য নয়ন ও সুমনের বাড়ি অন্যতম।
রাত হলেই মন্জুরুল, শাহিন, শাকিল, ও বহিরাগতদের আনাগোনা দেখা যায় দাদনপুর এলাকায়।
এনিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে কানাঘোষা থাকলেও প্রভাবশালী ও বিত্তশালীের ছত্রছায়ায় হওয়ায়, প্রাকশ্য মুখ খুলতে অনেকেই নারাজ।
এলাকার কেউ মুখ খুললেই বিভিন্নভাবে হয়রানি ও করা হয় নির্যাতন।
সম্প্রতি মহাসড়কে চুরি, ডাকাতি,ছিনতাইসহ ১২ মামলার আসামী চোরাইকারবারীদের গড ফাদার সামিদুল ও আলামিন মাদকসেবন,দেহ ব্যাবসা নির্যাতন ও চোরাই কারবারের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পেলে আইনশৃংখলা বাহিনীর অভিযানে ৪৫০ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির ৬ লক্ষাধিক টাকাসহ আটক হয় সামিদুল ও আলামীনের সহযোগিরা। পরে অবশ্য আটক হয় মুল হোতা সামিদুলও।
কিন্তু কয়েকদিন যেতে না যেতে জামিনে বেরিয়ে আসে সামিদুল ও তার সহযোগিরা।
অভিযানের পর ও আটকের পর কয়েকদিন থেমে থাকলেও আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠে সামিদুল, আলামিন, ল্যাংরা স্বপন, রহিম ও তার সহযোগিরা।
এসব চোরাই পয়েন্টে মাদক,চোরাই মালামাল ক্রয় বিক্রয় বন্ধ করতে পুলিশ প্রসাশনের ভূমিকা নিয়ে সচেতন মহলের মধ্যে তৈরি হয় নানান প্রশ্ন।
র্যাব এর অভিযানে শীর্ষ এই মাদককারবারী সামিদুল আটক হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস নিয়েছিল একালাকাবাসী ও সচেতন মহল কিন্তু কয়েকদিন যেতে না যেতেই সামিদুলের জামিনে বের হওয়া ও আলামিন, স্বপন, রহিম ও কিশোর গ্যাং সদস্য শাহিন, নয়ন, মন্জুরুল কে আইনের না আনায় এলাকাবাসী মধ্যে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
এখন এলাকাবাসীর মনে একটিই ধারনা, এসব অবৈধ মাদক ও চোরাকারবাড়িদের হাত হয়ত আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়ে অনেক শক্তিশালী।
নয়ত তাদের কালোটাকা আর দাপটের কাছে কাবু পুলিশ প্রসাশন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উর্ধতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে , এলাকাবাসির দাবি, মাদকের বিস্তার ঠেকাতে চোরাই মালামাল বিক্রির পয়েন্ট নামক এসব মাদকের ভাটখানা উচ্ছেদ ও জরিতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।
অতিরিক্ত এএসপি ( রায়গঞ্জ সার্কেল) সাইফুল ইসলাম জানান, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান নিয়মিত। মহাসড়কে মাদকের বিস্তার ঠেকাতে আমরা বেশ কয়েকটি অভিযান করেছি, অভিযান অব্যাহত রয়েছে, মাদকের সাথে জরিতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি ব্যবস্থা করা হবে।